Nimesulide
নাইমসুলাইড কেবল প্রেসক্রিপশনে পাওয়া একটি নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ওষুধ, যা সাইক্লো-অক্সিজেনেজের সেই রূপটিকে বাধা দেওয়ার দিকে ঝোঁকে যা প্রদাহের স্থানে দেখা দেয়। সেই পথটি দমিয়ে দিলে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনের উৎপাদন কমে এবং তার সঙ্গে ব্যথা ও ফোলাভাবও। ব্যথা ও প্রদাহে এটি ব্যবহৃত হয়।
এটি খাবারের সঙ্গে নেওয়া হয়, আর পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণের সতর্কবার্তা হলো শ্রেণিগত প্রভাবেরই প্রকাশ। নাইমসুলাইডকে আলাদা করে যা, তা হলো লিভার: এর ক্ষেত্রে ALT, AST ও মোট বিলিরুবিন হলো অনুসরণ করা মার্কার, এবং এ কারণেই এটি প্রতিদিনের ব্যথানাশক হিসেবে ব্যবহার না করে স্বল্পমেয়াদী কোর্সেই সীমিত রাখা হয়। এর থেকে হওয়া লিভারের ক্ষতি শুরুতে সাধারণত নীরব থাকে, সেজন্যই ব্যক্তির অনুভূতির চেয়ে ওই রক্তের মানগুলির ওজন বেশি। ওয়ারফারিনের সঙ্গে এটি নেওয়া হয় না, কারণ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি একত্রে যোগ হয়।
চোখ বা ত্বক হলুদ হওয়া, গাঢ় প্রস্রাব, ফ্যাকাশে মল, চুলকানি, কিংবা দীর্ঘায়িত বমিভাব ও খিদে কমে যাওয়া হলো লিভারের সেই লক্ষণ যেগুলির জন্য বিলম্ব না করে ডাক্তার দেখানো প্রয়োজন। কালো বা আলকাতরার মতো মল এবং কফির গুঁড়োর মতো বমি পাকস্থলীর ক্ষেত্রে একই অর্থ বহন করে।
তথ্যসূত্র মাত্র, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। যেকোনো পরিবর্তনের বিষয়ে আপনার ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন।