Potassium/Magnesium aspartate
পটাসিয়াম/ম্যাগনেসিয়াম অ্যাসপারটেট বাহক হিসেবে অ্যাসপার্টিক অ্যাসিডের সঙ্গে যুক্ত দুটি অন্তঃকোষীয় ইলেক্ট্রোলাইট সরবরাহ করে। এই দুই খনিজই হৃৎপিণ্ড ও পেশিকোষের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে, এবং যেকোনো একটির নিম্ন মাত্রা হৃৎস্পন্দনের ছন্দ অস্থির করে তোলে। এই ইলেক্ট্রোলাইটগুলোর ঘাটতি সংশোধনে এবং যেখানে অ্যারিদমিয়া এগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত সেখানে সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
এটি খাবারের সঙ্গে নেওয়া হয়, যা পাকস্থলীর জন্য সহজতর। মূল বিষয় হলো পটাসিয়াম জমে যেতে পারে: লিসিনোপ্রিল ও এনালাপ্রিলের মতো ACE ইনহিবিটর, অ্যাঞ্জিওটেনসিন ব্লকার লোসারটান, এবং পটাসিয়াম-সংরক্ষণকারী ডাইইউরেটিক স্পাইরোনোল্যাকটোন — সবই পটাসিয়ামের নিঃসরণ কমায়, আর এগুলোর যেকোনোটির উপর পটাসিয়াম সাপ্লিমেন্ট যোগ করলে মাত্রা আরও উপরে ওঠে। পটাসিয়াম শরীর থেকে বেরোনোর একমাত্র উল্লেখযোগ্য পথ কিডনি, তাই কিডনি রোগে সতর্কতা। ইলেক্ট্রোলাইটের মাত্রা এবং কিডনি কতটা ভালোভাবে তা নিষ্কাশন করছে — দুটোই দেখতে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ক্রিয়াটিনিন পরীক্ষা করা হয়।
পেশির দুর্বলতা, অসাড়তা বা ঝিনঝিন, ধীর বা অনিয়মিত নাড়ি, কিংবা নতুন ধড়ফড়ানি — এসবই পটাসিয়াম অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার প্রতিফলন হতে পারে এবং দ্রুত ডাক্তার দেখানোর কারণ। একই কথা প্রযোজ্য যাঁরা মিথস্ক্রিয়াকারী রক্তচাপের বা ডাইইউরেটিক ওষুধ নিচ্ছেন, বা যাঁদের জানা কিডনি রোগ আছে, তাঁদের ক্ষেত্রে — চালিয়ে যাওয়ার আগে।
তথ্যসূত্র মাত্র, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। যেকোনো পরিবর্তনের বিষয়ে আপনার ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন।