নাইট্রোফুরানটয়িন

Nitrofurantoin

অ্যান্টিবায়োটিক শুধুমাত্র প্রেসক্রিপশনে ATC কোড: J01XE01

এটি কী

নাইট্রোফুরানটয়িন একটি ব্যাকটেরিয়ানাশক, যা রক্তপ্রবাহের বদলে প্রস্রাবে ঘনীভূত হয়। ব্যাকটেরিয়া একে বিজারিত করে সক্রিয় যৌগে পরিণত করে, যা একসাথে কয়েকটি জায়গায় তাদের DNA, রাইবোজোম ও উৎসেচকের ক্ষতি করে। মূত্রথলি ও নিম্ন মূত্রনালির ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণে এটি ব্যবহৃত হয়, এবং শরীরের অন্যত্র সংক্রমণের জন্য এটি উপযুক্ত নয়।

স্বাভাবিক মাত্রা
50–100 mg
দিনে 4× বার
সময়
খাবারের সাথে

ব্যবহৃত হয়

  • ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ

সেবনের সময় যা জানা দরকার

এটি খাবারের সাথে গ্রহণ করা হয়, যা শোষণ বাড়ায় ও পেটের অস্বস্তি কমায়। প্রস্রাব সাধারণত গাঢ় হলুদ বা বাদামি হয়ে যায়, যা প্রত্যাশিত এবং ক্ষতির লক্ষণ নয়। ওষুধটিকে কাজ করার জন্য প্রস্রাবে ছেঁকে যেতে হয় বলে কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে এর প্রভাব দুর্বল হয় এবং একই সাথে এটি শরীরে জমতে থাকে, তাই কিডনি রোগ থাকলে ক্রিয়াটিনিন ও eGFR পরীক্ষা করা হয়; ALT-ও অনুসরণ করা হতে পারে, কারণ কখনও কখনও যকৃত আক্রান্ত হয়। উপসর্গ কমে গেলেও সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করা হয়, নইলে সংক্রমণ ফিরে আসতে পারে।

কখন ডাক্তার দেখাবেন

নতুন করে শ্বাসকষ্ট, শুকনো কাশি, বুকে ব্যথা বা জ্বর দেখা দিলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে, বিশেষত দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের সময়, কারণ ফুসফুসীয় প্রতিক্রিয়া একটি স্বীকৃত যদিও বিরল সমস্যা। হাত-পায়ে অসাড়তা বা ঝিনঝিন, ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, কিংবা উপসর্গের উন্নতি না হওয়াও পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন।

জানা দরকার

  • কিডনি রোগে সতর্কতা
  • সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করুন
  • দীর্ঘ ব্যবহারে বিরল ফুসফুসীয় প্রতিক্রিয়া

লক্ষ্য রাখার মার্কার

তথ্যসূত্র মাত্র, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। যেকোনো পরিবর্তনের বিষয়ে আপনার ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন।