Celecoxib
সেলেকক্সিব একটি নন-স্টেরয়ডাল প্রদাহনাশক ওষুধ, যা প্রদাহের স্থানে উৎপন্ন এনজাইম COX-2-কে নির্বাচিতভাবে বাধা দেয়, আর পাকস্থলীর আবরণ রক্ষাকারী COX-1-কে মূলত অক্ষত রাখে। এই নির্বাচনশীলতার কারণে সমতুল্য প্রদাহনাশক প্রভাবে পুরোনো এনএসএআইডি-র তুলনায় এটির পাকস্থলীগত প্রোফাইল মৃদুতর। এটি কেবল প্রেসক্রিপশনে পাওয়া যায় এবং ব্যথা, প্রদাহ ও জয়েন্টের সমস্যায় ব্যবহৃত হয়।
খাবারের সঙ্গে বা খাবার ছাড়া নেওয়া যায়। প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন অবরোধ রক্তচাপ ও তরল নিয়ন্ত্রণের চিকিৎসার প্রভাব কমিয়ে দেয়, তাই লিসিনোপ্রিল বা ফুরোসেমাইডের সঙ্গে একত্রে ব্যবহারে রক্তচাপ ও ফোলাভাব পর্যবেক্ষণ করা হয়, এবং এই সংমিশ্রণ কিডনির উপরও বাড়তি চাপ ফেলে। ওয়ারফারিনের সঙ্গে কেবল পর্যবেক্ষণসহই একত্রে দেওয়া হয়, কারণ সেলেকক্সিব INR বাড়াতে পারে ও পাকস্থলী-অন্ত্রের আবরণে ক্ষতি করতে পারে এবং রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে। ক্রিয়াটিনিন কিডনির কার্যকারিতা এবং ALT যকৃতের সহনশীলতা অনুসরণ করে; হৃদ্রোগ-সংক্রান্ত সতর্কতার কারণেই দীর্ঘ অবিরাম ব্যবহার কেবল চালিয়ে না গিয়ে পুনর্বিবেচনা করা হয়।
বুকে ব্যথা, হঠাৎ শ্বাসকষ্ট, শরীরের এক পাশে দুর্বলতা বা জড়ানো কথা জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন। রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া, গোড়ালিতে নতুন বা বেড়ে চলা ফোলাভাব, প্রস্রাব অনেক কমে যাওয়া, ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, কিংবা কালো পায়খানা — এগুলোর প্রতিটির অর্থ নিজে থেকে কিছু বদলানো নয়, বরং ডাক্তার দেখানো।
তথ্যসূত্র মাত্র, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। যেকোনো পরিবর্তনের বিষয়ে আপনার ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন।