Acetylcysteine
অ্যাসিটাইলসিস্টাইন একটি মিউকোলাইটিক: এটি ঘন শ্লেষ্মাকে একত্রে ধরে রাখা ডাইসালফাইড বন্ধনগুলি ভেঙে দেয়, ফলে ক্ষরণ পাতলা হয় এবং শ্বাসনালী থেকে সহজে পরিষ্কার হয়। এটি গ্লুটাথায়োনেরও পূর্বসূরি, যা শরীরের প্রধান বিষমুক্তকারী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, আর এ কারণেই কফযুক্ত কাশির পাশাপাশি লিভার সহায়তার জন্যও এটি ব্যবহৃত হয়।
এটি খাবারের সঙ্গে এবং সাধারণত সকালে নেওয়া হয়, আর তরল গ্রহণ পর্যাপ্ত হলেই কেবল এটি কাজ করে — পাতলা হওয়া শ্লেষ্মা তবুও কাশির মাধ্যমে বের করতে হয়, আর পানিই তাকে চলমান রাখে। অ্যান্টিবায়োটিক থেকে এটিকে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে রাখা উচিত, কারণ পাকস্থলীতে দুটির মধ্যে মিথস্ক্রিয়া হতে পারে এবং অ্যান্টিবায়োটিক শোষণের পরিমাণ কমে যেতে পারে। স্বাদ এবং গন্ধকযুক্ত গন্ধ এই অণুটির জন্য স্বাভাবিক; পাকস্থলীর মৃদু অস্বস্তি সবচেয়ে সাধারণ অভিযোগ।
যে কাশি আলগা হওয়ার বদলে ক্রমশ খারাপ হতে থাকে, জ্বর, মাত্রা নেওয়ার পর শ্বাসকষ্ট বা শ্বাসে শোঁ শোঁ শব্দ, কিংবা র্যাশ — এসবের অর্থ নিজে থেকে চালিয়ে যাওয়ার বদলে ডাক্তার দেখানোর সময় হয়েছে।
তথ্যসূত্র মাত্র, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। যেকোনো পরিবর্তনের বিষয়ে আপনার ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন।